
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে চীন ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তিকে চলমান প্রক্রিয়ার অংশ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
পরবর্তী সরকার এসব চুক্তি এগিয়ে না নিলে কি হবে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ধশবলেন বলেন, এটা হাইপোথিটিক্যাল প্রশ্ন। এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া।
সোমবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেনের সাথে বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
গত ১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিমানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হন ড. খলিলুর রহমান।
বিশ্বে কোথাও কোনো দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বিমানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হন কি না সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘দুনিয়ার সব দেশে বিমান নাই’।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিরক্ষা খাতে একাধিক বড় উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যে রয়েছে চীনের সাথে জিটুজি চুক্তিতে ড্রোন কারখানা স্থাপন, পাকিস্তান থেকে জেএফ১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ক্রয়, চীন থেকে জে১০ সিই যুদ্ধবিমান ক্রয়, ইউরোপীয় কনসোর্টিয়াম থেকে ইউরোফাইটার টাইফুন ক্রয়, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সাবমেরিন ক্রয়, তুরস্ক থেকে টি১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্ল্যাক হক মাল্টিরোল হেলিকপ্টার ক্রয়।
পাশাপাশি প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে যুদ্ধজাহাজ বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জাপানের সাথে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সইয়ের চেষ্টাও চলছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে।
সূত্র : বিবিসি
