
কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে যাওয়া রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে নদীতে পড়ে যাওয়া সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটিতে চালক ও তার সহকারীসহ মোট ৫০ জনের মতো মানুষ ছিল বলে জানিয়েছেন বাসের কুমারখালী কাউন্টার মাস্টার তন্ময় আহমেদ।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কাউন্টার মাস্টার বলেন, ‘দুপুর আড়াইটায় ছয়জন যাত্রী নিয়ে বাসটি কুমারখালী ছেড়ে যায়। এরপর খোকসা থেকে সাতজন, মাছপাড়ায় চারজন, পাংশায় ১৫ জন ওঠেন। ইঞ্জিন কাভারেও চারজন যাত্রী ছিলেন। এছাড়া, গোয়ালন্দ ঘাটে কয়েকজন যাত্রী ওঠেন। চালক, সুপারভাইজার ও চালকের সহকারীসহ বাসে অন্তত ৫০ জন ছিলেন।’
কাউন্টার মাস্টারের ভাষ্য, ৪০ সিটের বাস হলেও ৫০ জন ছিলেন। আবার ফেরিতে ওঠার সময় কেউ কেউ নেমেও যায়। ফলে নদীতে পড়ার সময় কতজন যাত্রী ছিলেন নিশ্চিত নয়।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ।
নিহতরা হলেন- রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর লাল মিয়া সড়কের মৃত ইসমাইল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬০) ও রাজবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পাংশা জোনাল অফিসের কর্মকর্তা মর্জিনা বেগম (৫৬)। এ ঘটনায় নিহত রেহানা আক্তারের ছেলে আহনাফ রায়হান ও নাতি নিখোঁজ রয়েছেন।
