ফরিদপুরে ঈদের নামাজ শেষে ফের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

লেখক: নিউজ আউটলুক ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ সপ্তাহ আগে
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মধ্যরাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ৩৩ ঘণ্টা না পেরোতেই ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫–২০টি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

শনিবার (২১ মার্চ) ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে চলে এ সংঘর্ষ। দুই পক্ষ ঢাল, সরকি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাত ১২টার দিকে দুই পক্ষ টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা সংঘর্ষে জড়ায়। ওই সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হন। এরপর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সেই উত্তেজনার জের ধরেই পুনরায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও চুন্নু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আসাদুজ্জামান বলেন, ইসমাইল মুন্সী ও কামরুল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তারা পরস্পরের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হলেও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এর জের ধরেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।