
দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস বা এইমসে মৃত্যু হয়েছে হরিশ রানার।
দুই সপ্তাহ আগে প্রথমবারের মত পরোক্ষ স্বেচ্ছা মৃত্যুতে অনুমতি দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট, আর সেই আদেশ মেনে হরিশকে নিয়ে আসা হয়েছিল দিল্লির এইমস হাসপাতালে।
সেখানে ধীরে ধীরে তার জীবনদায়ী সব সাপোর্ট সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
অবশেষে ১৩ বছরের দীর্ঘ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেলেন ৩২ বছরের হরিশ রানা। ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট গাজিয়াবাদের হরিশ রানার চিকিৎসা প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়েছিল। সু্প্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালার ডিভিশন বেঞ্চ প্যাসিভ ইউথেনেশিয়ার অনুমতি দেয়।
দিল্লি এইমসকে নির্দেশ দেওয়া হয় সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মত ভাবে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এবং রোগীর পূর্ণ মর্যাদা রেখে যেন তার লাইফ সাপোর্ট প্রত্যাহার করা হয়।
মেডিক্যাল বোর্ডের কড়া নজরদারিতে ১৫ মার্চ তার তরল খাবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
এরপর ১৭ মার্চ থেকে জল দেওয়াও পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিটেকের ছাত্র হরিশ হস্টেলের চতুর্থ তলার বারান্দা থেকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। ২০১৩ সাল থেকে তিনি কোমায় ছিলেন।
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি কৃত্রিম পুষ্টি এবং মাঝে মাঝে অক্সিজেন সাপোর্টের ওপর নির্ভর করে বেঁচে ছিলেন।
তার স্বেচ্ছামৃত্যুর জন্য আবেদন জানান তার বাবা-মা।
সূত্র : বিবিসি
