ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে করা কড়া ভাষায় সতর্কবার্তার পর, ইরান আজ সোমবার মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে নতুন করে হামলা শুরু করেছে এবং ‘বিধ্বংসী’ প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে।
আজ ভোরে ইসরাইল, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত একযোগে মিসাইল ও ড্রোন হামলার কথা জানিয়েছে। এই হামলাগুলো এমন সময়ে চালানো হলো যখন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তেহরান তাদের কড়া অবস্থান আরো জোরদার করছে। এ সময় ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড সতর্ক করে জানায়, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হলে তারা ‘আরো অনেক বেশি বিধ্বংসী’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
এই সতর্কবার্তাটি আসে ট্রাম্পের ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করার হুমকির কয়েক ঘণ্টা পর। তিনি উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর জন্য একটি চুক্তিতে তার দাবি মেনে নিতে তেহরানকে আহ্বান জানান।
ইরান কার্যত বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। এর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া ভাষায় সতর্ক করে বলেন, তেহরানকে দ্রুত হরমুজ প্রণালিট খুলে দিতে হবে, নইলে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
এক সংক্ষিপ্ত পোস্টে প্রেসিডেন্ট দৃশ্যত ইরানকে নির্দেশ পালনের জন্য একটি নতুন সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তাহলো ‘মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা।
খ্রিস্টানরা যখন ইস্টার উদযাপন করছিলেন, তখন ইরানের অভ্যন্তরে বিধ্বস্ত হওয়া এক যুদ্ধবিমানের আহত পাইলটকে উদ্ধারের পর ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে বিমান হামলার হুঁশিয়ারি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত কয়েকটি মার্কিন বিমানের ধ্বংসাবশেষ দেখা গেলেও, তেহরান এই কথা অস্বীকার করেনি যে, মার্কিন বাহিনী ওই কর্মকর্তাকে উদ্ধার করেছে। মার্কিন বিশেষ বাহিনী ও ইরানি সৈন্যরা তাকে খুঁজে বের করার জন্য দ্রুত কাজ করছিল। ওই কর্মকর্তা একটি পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।
যুদ্ধবিমানের পাইলটকে উদ্ধারের ঘোষণা দিয়ে ট্রুথ সোশ্যাল-এ করা একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, সোমবার তিনি একটি সংবাদ সম্মেলন করবেন।
সূত্র : এএফপি
