আজ চাঁদপুরসহ ২০ জেলায় ঈদ উদযাপন 

লেখক: নিউজ আউটলুক ডেস্ক
প্রকাশ: ১ মাস আগে
প্রতীকী ছবি

আগামীকাল শনিবার দেশজুড়ে উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর।  তবে একদিন আগেই চাঁদপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, দিনাজপুর, লক্ষ্মীপুর, শেরপুর, বরিশাল, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি, কুড়িগ্রাম, বগুড়া, টাঙ্গাইল,  ভোলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, গাইবান্ধা, মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছে।

চাঁদপুর

চাঁদপুরের শুক্রবার অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন হচ্ছে। সকালে জেলার ভিন্ন স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে চাঁদপুর সদর উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠে সকাল ৯টায় ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসা মাঠে আরেকটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ অন্যান্য আরব দেশের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রথা চালু করেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আগাম ঈদ উদযাপন করে আসছেন।

মাদারীপুর

এ জেলায়  ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ২৫ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। সকাল ৯টায় মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চর কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ঈদের প্রধান ও প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সুরেশ্বর দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত জান শরীফ শাহ্ সুরেশ্বরীর (রহ.) অনুসারীরা প্রায় দেড়শ বছর আগ থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখেন এবং ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় জেলার ২৫টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ঈদ উৎসব পালন করছেন।

ফরিদপুর

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার প্রায় ১৩টি গ্রামে আজ ঈদুল ফিতর উদযাপন হচ্ছে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপন করেন তারা। শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের সহস্রাইল, দড়ি সহস্রাইল, ভুলবাড়িয়া, বারাংকুলা, বড়গাঁ, মাইটকুমড়া, গঙ্গানন্দপুর, রাখালতলী, কাটাগড়, কলিমাঝি, বন্ডপাশা, জয়দেবপুর ও দিঘীরপাড় গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ আগাম রোজা পালন শুরু করেন।

শরীয়তপুর

শরীয়তপুরে অন্তত ৩০টি গ্রামের সুরেশ্বরীর (রহ.) ভক্ত-অনুসারীরা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। শুক্রবার সকালে নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরীফের মাঠে হাজারো মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন।

জানা যায়, জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরী নামে এক সুফি সাধকের ভক্ত ও অনুরাগীরা শত বছর ধরে চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। জেলায় সুরেশ্বর, কেদারপুর, চাকধসহ অন্তত ৩০ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরীর অনুসারী রয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় সুরেশ্বর দরবার শরীফের মাঠে হাজারো মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। প্রতিবছরের মতো এবছরও সুরেশ্বর দরবার শরীফে নির্দিষ্ট সময়ে পৃথক মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজের দুইটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

দিনাজপুর

দিনাজপুরের ৬টি উপজেলায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একটি অংশ। শুক্রবার জেলা শহরের চারুবাবুর মোড় পার্টি সেন্টারে, চিরিরবন্দর উপজেলার রাবার ড্যাম এলাকায় সাইতারা, কাহারোল উপজেলা সদরের জয়নন্দ গ্রামে, ১৩ মাইল এলাকায়, বোচাগঞ্জে, বিরল উপজেলার বনগাঁ জামে মসজিদে ও বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদরাসা মাঠে ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

লক্ষ্মীপুর

লক্ষ্মীপুরে ১১টি গ্রামে হাজারো মানুষ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। সকাল সাড়ে ৭টায় রামগঞ্জ উপজেলার খানকায়ে মাদানিয়া কাসেমিয়া মাদরাসায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, বারো ঘরিয়া, হোটাটিয়া, শরশোই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপাসহ ১১টি গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মুসল্লি ঈদ উদযাপন করছেন।

শেরপুর

শেরপুরের ৭টি গ্রামের কিছু মুসুল্লি ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে এসব গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় করেন তারা। প্রতিটি জামাতে শতাধিক করে মুসল্লি অংশগ্রহণের পাশাপাশি নারী মুসুল্লিরাও পর্দার আড়ালে নামাজ আদায় করেন।

বরিশাল

বরিশাল নগরীসহ জেলার পাঁচ উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার পরিবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে আজ। এরা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এলাহাবাদ জাহাগীরিয়া শাহসুফি দরবার শরীফের অনুসারী। পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিল রেখে তারা রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাসহ ধর্মীয় আচার পালন করে আসছেন। শুক্রবার সকালে জেলার প্রায় ৭০টি মসজিদে আগাম ঈদের জামাত অনু‌ষ্ঠিত হয়।

পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর ৩৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ একদিন আগেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। দীর্ঘ প্রায় এক শতাব্দীর ঐতিহ্য ধরে রেখে এসব গ্রামের বাসিন্দারা আগাম ঈদ পালনের এ প্রথা অনুসরণ করে আসছেন।

সকাল ৯টায় সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরিফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ১৯২৮ সালে এক পীরের উদ্যোগে সৌদি আরবের চাঁদের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালনের এই রেওয়াজ শুরু হয়। সেই থেকে ধারাবাহিকভাবে এ প্রথা অনুসরণ করে আসছেন স্থানীয়রা। আগাম ঈদ উদযাপনকারী এসব মানুষ হানিফি মাজহাব ও কাদেরিয়া তরিকার অনুসারী। বর্তমানে তাদের পীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হজরত শাহসুফি মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মমতাজ আলী।

বরগুনা

বরগুনার বিভিন্ন গ্রামে এবারো পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ। ঈদ উপলক্ষে গ্রামে গ্রামে সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টার দিকে বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের মধ্য বকুলতলী গ্রামের মল্লিক বাড়ি জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত ঈদের জামাতে বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলার বিভিন্ন বয়সী শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন। এছাড়াও আমতলী ও তালতলী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন শেষে শুক্রবার সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

ঝালকাঠি

সকাল সোয়া ৮টায় ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ডহরশংকর এলাকার দারুস-সুন্নাহ ঈদগাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

নামাজে ওই এলাকার প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি পরিবারের দেড় শতাধিক নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। নারীদের জন্য আলাদা তাবু টাঙিয়ে নামাজের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। নামাজ শেষে উপস্থিত মুসল্লিদের মধ্যে তবারক বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সাল থেকে ডহরশংকর গ্রামের এই পরিবারগুলো সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদসহ যাবতীয় ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। দিন দিন এই জামাতে মুসল্লিদের সংখ্যা বাড়ছে এবং আশপাশের উপজেলা থেকেও অনেকে এখানে নামাজ আদায় করতে আসেন।

কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, রৌমারীসহ পাঁচ উপজেলার ছয়টি গ্রামে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে এসব এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।

ফুলবাড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের জেলেপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

বগুড়া

বগুড়ার বিভিন্ন স্থানে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হচ্ছে। সকালে জেলার গাবতলী, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলার পৃথক তিনটি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব জামাতে নারী ও শিশুসহ অন্তত দেড় শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন। জামাতগুলোতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী ও শিশুদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এসব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।

টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার শশীনাড়া গ্রামের ৪০টি পরিবার ঈদ উদযাপন করেছে। সকাল ৮টায় স্থানীয় মসজিদের মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার লাউহাটী ইউনিয়নের শশীনাড়া গ্রামের কিছু মুসুল্লি ২০১২ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছে।

ভোলা

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ভোলায় ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ভোলার সাত উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ। জেলার সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবর শরীফ অনুসারীরা ঈদের নামাজ পড়েন।

সকাল ১০টার দিকে সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবর শরীফ অনুসারীদের ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় ভোলার সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ইলিশা লঞ্চঘাট সংলগ্ন আসমত আলী মাস্টার বাড়ির সুরেশ্বরী খানকা শরীফে। ঈদের নামাজ পড়ান মো. অলিউল্ল্যাহ। পর্যায়ক্রমে ওই সদর ও বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুরাইপত্তন গ্রামেসহ জেলার বিভিন্ন গ্রামে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কয়েকটি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। সকা ৮টায় শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের রাধানগর ও ৭৬ বিঘিসহ কয়েকটি গ্রামের মুসল্লিরা ঈদের জামাতে অংশ নেয়।

জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতি বছরই কিছু মানুষ আগেভাগে ঈদের নামাজ আদায় করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জেও এবার এমন চিত্র দেখা গেছে।

নওগাঁ

নওগাঁর পত্নীতলায় একটি গ্রামে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়েছে। সকাল ৮টায় উপজেলার নজিপুর পৌরসভার কলোনিপাড়া এলাকায় এ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. কামারুজ্জামান। পুরুষ ও নারীসহ জামাতে অংশ নেয় প্রায় ৬০ জন মুসল্লি। তাদের অনেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সকালেই নামাজে অংশ নিতে ছুটে আসেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাত শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় উচ্ছ্বসিত মুসল্লিরা।

গাইবান্ধা

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করেছে কয়েকটি গ্রামের কিছু মুসল্লি। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জেলার সহিহ হাদিস সম্প্রদায়ের মুসল্লিরা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের মধ্যপাড়ার ছাদে নামাজ আদায় করেন।

মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজার জেলার প্রায় শতাধিক পরিবার ঈদ উদযাপন করছেন আজ। নামাজের ইমামতি করেন আব্দুল মাওফিক চৌধুরী (পির সাহেব উজান্ডি)। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাত করা হয়।

পিরোজপুর

পিরোজপুরের তিন উপজেলার ১০ গ্রামের ৮ শতাধিক পরিবার শুক্রবার সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। ‎প্রতিবছর পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকার মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে, মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের হাজী ওয়াহেদ আলী হাওলাদার বাড়িতে, জেলার নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমি মসজিদে এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের খন্দকার বাড়িতে এ ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।