
গাজা উপত্যকা ও মিসরের মধ্যকার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খুলে দেওয়ার পর ফিলিস্তিনিরা এই সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত শুরু করেছেন।
২০২৪ সালের মে মাসে ইসরাইলি বাহিনী গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এই ক্রসিংটি মূলত বন্ধ ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবে গত অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপেই সীমান্তটি খোলার কথা ছিল। কিন্তু গাজায় থাকা শেষ ইসরাইলি জিম্মির লাশ ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ইসরাইল তা বন্ধ রেখেছিল। সেই লাশটি গত সপ্তাহে ফেরত এসেছে। উত্তর গাজার একটি কবরস্থান থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
রাফাহ ক্রসিং পুনরায় খোলা অনেক ফিলিস্তিনির জন্য স্বস্তির খবর, কারণ তারা এটিকে বাইরের বিশ্বের সাথে সংযোগের একটি জীবনরেখা হিসেবে দেখেন।
তবে হতাশার বিষয় হলো খুব অল্পসংখ্যক মানুষকে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে এবং কোনো পণ্য পারাপার করতে দেয়া হচ্ছে না।
স্থানীয় হাসপাতাল ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানায়, প্রায় ২০ হাজার অসুস্থ ও আহত ফিলিস্তিনি চিকিৎসার জন্য গাজা ছাড়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
ইসরাইলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫০ জন রোগী, তাদের সাথে একজন বা দু’জন স্বজনকে গাজা ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হবে।
একইসাথে, যুদ্ধের সময় যারা গাজা ছেড়ে গিয়েছিলেন, তাদের মধ্য থেকে প্রতিদিন ৫০ জনকে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে।
এই ক্রসিংটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের তত্ত্বাবধায়ক ও স্থানীয় ফিলিস্তিনি কর্মীরা পরিচালনা করবেন। নিরাপত্তা যাচাই করবে ইসরাইল, তবে সেটা দূর থেকে।
ইতোমধ্যে ৩০ হাজারের বেশি গাজাবাসী কায়রোতে ফিলিস্তিনি দূতাবাসে গাজায় ফেরার জন্য নিবন্ধন করেছেন।
সূত্র : বিবিসি
