
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে আশুলিয়ায় ছয়লাশ পোড়ানো ও একজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ পাঁচ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং সাত জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে আদালত।
বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিলেও রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া শেখ আবজালুল হককে ক্ষমার আদেশ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টার দিকে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণা শুরু করে।
ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
সাবেক এমপি সাইফুলকে কয়েকটি অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। একইসাথে তার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ভিকটিমদের পরিবারের মধ্যে বন্টনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এই মামলার আসামি মোট ১৬ জন। তাদের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন আটজন আসামি।
গ্রেফতার হওয়া আসামিরা হলেন- ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, এসআই আবদুল মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার।
তবে সাবেক এমপি সাইফুলসহ আটজন এখনো পলাতক রয়েছেন।
পলাতক অন্যরা হলেন ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা ও যুবলীগ কর্মী রনি ভূইয়া।
সূত্র : বিবিসি
সম্পাদক: মো. আবু মুসা আশ'য়ারী (মনির)
প্রকাশক: ইলিয়াস
www.newsoutlook.net