
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা 'আগামী কয়েক দিনের মধ্যে' হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এই আলোচনার সময়সূচি সম্পর্কে তিনি দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে বলেন, ওমান, তুরস্ক এবং আরো কয়েকটি দেশ এই আলোচনার আয়োজনের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। চূড়ান্ত স্থান শিগগিরই নির্ধারণ করা হবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়
ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের সাথে আলোচনার বিষয়টি ঘোষণা করেন।
মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন থেকে একটি ইরানি ড্রোনকে ভূপাতিত করার পর, হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জানান দেশটির বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ইরানি কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনায় বসার পরিকল্পনা এখনো বহাল রয়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই আলোচনা, যা ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবে বলে বলা হয়েছে, ইরানে জানুয়ারি মাসে হওয়া বিক্ষোভে রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়নের তিন সপ্তাহ পর শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে পুলিশের সহিংস অভিযানে হাজারো বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়।
এদিকে, ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুরস্ক, কাতার ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে পৃথকভাবে আলোচনা করেছেন। ফোনালাপে আরাঘচি এই দেশগুলোকে উত্তেজনা হ্রাস এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
সূত্র : বিবিসি
সম্পাদক: মো. আবু মুসা আশ'য়ারী (মনির)
প্রকাশক: ইলিয়াস
www.newsoutlook.net