
মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামোতে, বিশেষ করে কাতারের প্রধান গ্যাস স্থাপনায় নতুন করে হামলার পর বৃহস্পতিবার সকালে যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দাম ২০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দাম ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে থার্ম প্রতি ১৭১ পেনিতে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে তেলের বাজারদর প্রায় পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
কাতারের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ইরানের দুই দফা হামলায় কাতারের প্রধান গ্যাস হাব বা কেন্দ্রে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে, সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে রাতভর হামলার খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার রাত থেকে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে সবচেয়ে বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদ এবং দেশের পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা জুড়ে ১৭টি ড্রোন এবং দুটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ভূপাতিত করা হয়েছে।
কাতারের 'রাস লাফান' জ্বালানি কমপ্লেক্সে বৃহস্পতিবার ভোরেও হামলা চালানো হয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলো প্রতিহত করছে এবং আকাশে থাকা যুদ্ধবিমানগুলো ড্রোন ধ্বংসের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
রাতভর তিনটি সতর্কতা জারি করে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাহরাইন।
আর মিসাইল এবং ড্রোন হামলা প্রতিহত করার তথ্য জানিয়ে বিবৃতি জারি করেছে কুয়েতের সামরিক বাহিনী।
বুধবার ইরানের 'সাউথ পার্স' গ্যাস ফিল্ডে হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংশ্লিষ্ট "তেল ও গ্যাস শোধনাগারগুলোতে" আঘাত হানার হুমকি দিয়েছিল ইরানের সেনাবাহিনী।
সূত্র : বিবিসি
সম্পাদক: মো. আবু মুসা আশ'য়ারী (মনির)
প্রকাশক: ইলিয়াস
www.newsoutlook.net