
ফরিদপুরের সদর উপজেলার দুটি পাম্পে অভিযান চালিয়ে ২৮ হাজার লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে হোসেন ফিলিং স্টেশনে ‘তেল নাই’ লেখা প্লাকার্ড লাগিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল। এ অপরাধে হোসেন ফিলিং স্টেশনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বিকালে ফরিদপুর -খুলনা মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী কানাইপুর বাজারে হোসেন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল সরবরাহ না করার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই পাম্পেই ৭ হাজার লিটার পেট্রোল, ৬ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন ও ১৪ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল মজুত পাওয়া যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত হোসেন ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সাবির চৌধুরীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। তাৎক্ষণিকভাবে ভোক্তাদের জন্য পাম্প চালু করে বাস, ট্রাক, কৃষক, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলে প্রয়োজনীয় পেট্রোলিয়াম প্রদান করার ব্যবস্থা করা হয়। এ সময় পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ ভুল স্বীকার করে প্রার্থনা করে।
প্রশাসন জানায়, একই দিন জেলা সদরের কানাইপুর এলাকায় রয়েল ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তাদের শুধু ডিজেল বিক্রি করে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ ছিল। এ সময় যাচাই করে দেখা যায়, পাম্পে ৩ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল, ৩ হাজার ৪০০ লিটার অকটেন ও ১৯ হাজার লিটার ডিজেল রয়েছে। এ সময় পাম্পের মালিক ও ম্যানেজার মেশিনের সমস্যা উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাৎক্ষণিকভাবে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ চালু করে ভোক্তাদের সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।
ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়ার নেতৃত্বে ফরিদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম, দীপ্ত চক্রবর্তী এবং সাকিব রহমান আকাশ এ অভিযান পরিচালনা করেন।
সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
