
বিশ্বে তেলের বাজারে যে অস্থিরতার কারণে দাম বেড়েছে, তা অস্থায়ী বলে দাবি করেছেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট।
তিনি বলেন, বাজার তার নিজের পথেই চলে এবং দাম বৃদ্ধি উৎপাদকদের তেল সরবরাহ আরো বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়।
রাইটের দাবি, খরচ এখনও এতটা বাড়েনি যা ‘চাহিদার উল্লেখযোগ্য হ্রাস’ ঘটাতে পারে।
উচ্চমূল্য বা সীমিত সরবরাহের কারণে পণ্যের চাহিদায় দীর্ঘস্থায়ী পতন ঘটার সম্ভাবনা দেখছেন বলেই মনে করেন তিনি।
ইরানের সাথে যুদ্ধের ইতি টানার মতো কোনো চুক্তি হলে তেলের দাম হুড়মুড় করে পড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলেরর সাথে ইরানের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।
জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হুমকির কারণে জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে আছে।
এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প জানান, আমাদের একটি চুক্তি হওয়ার বেশ ভালো সম্ভাবনা আছে।
অবশ্য তিনি এ-ও যোগ করেন, কোনো কিছুর নিশ্চয়তা নেই; আমি কোনো কিছুর নিশ্চয়তা দিচ্ছি না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেছেন যে, যুদ্ধ শেষ করার জন্য দুই দেশ ১৫টি দফা নিয়ে আলোচনা করছে।
যার মধ্যে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র বর্জন ‘এক, দুই ও তিন নম্বর’ দফা, বলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প আরো বলেন, তিনি ইরানে ‘শাসনব্যবস্থার বড় পরিবর্তন’ দেখতে চান।
সূত্র : বিবিসি
সম্পাদক: মো. আবু মুসা আশ'য়ারী (মনির)
প্রকাশক: ইলিয়াস
www.newsoutlook.net