ছবি: সংগৃহীত
আমাদের কেবল কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নয়, বরং প্রকৌশল, বিজ্ঞান এবং অবশ্যই অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অংশ নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’অধ্যাপক শাহাবের মতে, বিষয়টিকে কেবল কূটনীতি বা প্রকৌশল বিদ্যার ওপর ছেড়ে দিলে কোনো সামগ্রিক সমাধান পাওয়া যাবে না।‘এই কারণেই আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ সরকারের যথেষ্ট কাজ (হোমওয়ার্ক) করা উচিত, যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ— অর্থনীতিবিদ, ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ করে সমাজবিজ্ঞানীদের যুক্ত করা প্রয়োজন,’ উল্লেখ করে তিনি বলেন যে পরিবেশবাদীদেরও এতে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।অধ্যাপক শাহাব বলেন, ‘পানিকে কেবল পানি, অথবা কেবল কূটনৈতিক বা আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার ধারণাটি একটি পুরনো এবং সেকেলে পদ্ধতি।’তিনি আরও বলেন, ‘যদি দুই দেশের মধ্যে বাস্তববোধ কাজ করে, তবে তারা অবশ্যই একটি সমগ্রিক পর্যালোচনা ও সংস্কারের মাধ্যমে এমন একটি চুক্তির দিকে যাবে, যা এই সহস্রাব্দে জলবায়ু পরিবর্তনসহ অন্যান্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।’মরিশাসে নবম ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছিলেন, জনগণের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করে এমন একটি নতুন বা সংশোধিত চুক্তি দেখতে চায় বাংলাদেশ।সম্মেলনের ফাঁকে এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এগুলো অভিন্ন নদী এবং এখানে আমাদের অভিন্ন ঐতিহ্য ও স্বার্থ রয়েছে। আমি যেমনটি বলেছি, একটি টেকসই এবং জন-আস্থার প্রতিফলন ঘটায় এমন সমাধান খুঁজে বের করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। আগামী ২৫ থেকে ৫০ বছরের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপনের জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।’পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫ বছর ইতোমধ্যে পার হয়েছে। তাই আমি মনে করি না যে আমাদের কেবল ৫ বা ১০ বছরের কথা ভাবা উচিত; আমাদের দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করতে হবে। তাই আমাদের পররাষ্ট্রনীতি বা বলা ভালো, জনকল্যাণমূলক নীতিতে পারস্পরিক জলবায়ু সহিষ্ণুতাকে অগ্রাধিকার দেওয়াই হবে ভবিষ্যতের মূল চালিকাশক্তি।’
সুত্র: ইউএনবি
