
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, কাতারের রাস লাফান জ্বালানি কমপ্লেক্সে যে হামলা চালানো হয়েছে, তাতে ইরানের সামর্থ্যের এক ক্ষুদ্র অংশ মাত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
'সংযত থাকার একমাত্র কারণ ছিল উত্তেজনা কমানোর অনুরোধের প্রতি সম্মান দেখানো,' সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে লিখেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরো বলেন, ইরানি অবকাঠামো আবার হামলার শিকার হলে, আর সংযম বজায় রাখা হবে না।
যুদ্ধের ইতি টানতে হলে ইরানের বেসামরিক স্থাপনার 'ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও সমাধানের অংশ হিসেবে বিবেচনা' করতে হবে, যোগ করেন আরাঘচি।
এদিকে, কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মেদ বিন আবদুর রহমান আল থানি বলেছেন, ইসরাইল ও ইরান এই অঞ্চলকে যুদ্ধে টেনে আনছে।
বৃহস্পতিবার কাতার ও তুরস্কের পক্ষ থেকে যৌথ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।
কাতারে এলএনজি উৎপাদনকারী স্থাপনা রাস লাফানে হামলাকে ইরানিদের পক্ষ থেকে অত্যন্ত বিপজ্জনক এক উত্তেজনা বৃদ্ধি বলেও অভিহিত করেছেন তিনি।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলে ইরানের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করা এবং উত্তেজনা প্রশমনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, কাতারে তার এই সফর সংহতির বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, আমরা সেইসব হামলার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই, যা বেসামরিক নাগরিকদের জীবনের প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন করে এবং বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানায়।
তিনি আরো বলেন, হামলাগুলোকে কখনোই বৈধতা দেওয়া যায় না।
সূত্র : বিবিসি
সম্পাদক: মো. আবু মুসা আশ'য়ারী (মনির)
প্রকাশক: ইলিয়াস
www.newsoutlook.net