
বাগেরহাটের রামপালে স্থাপিত বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে পুনরায় রের্কড করেছে। এই মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯ শতাংশেরও বেশি।
রোববার (৩ মে) বিকেলে রামপাল তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিআইএফপিসিএলের জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম জানান, এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে যখন তাপপ্রবাহের কারণে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা চরম পর্যায়ে পৌছায়, তখন কেন্দ্রটি অভাবনীয় ৯৭ শতাংশ সক্ষমতায় (পিএলএফ) বিদ্যুৎ উৎপাদন করে গ্রিডকে স্থিতিশীল রেখেছে। এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি এক মাসে ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাইলফল স্পর্শ করল।
তিনি আরও জানান, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং অত্যাধুনিক ‘আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল’ প্রযুক্তিসমৃদ্ধ রামপাল কেন্দ্রটি উচ্চ দক্ষতা এবং পরিবেশের ওপর নূন্যতম প্রভাব নিশ্চিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এতে ব্যবহৃত উন্নত ‘ফ্লু গ্যাস ডি-সালফারাইজেসন’ (এফজিডি) প্রযুক্তি পরিচালিত পরিবেশগত মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলে। শিল্প ও আবাসিক খাতের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ‘বেসলোড পাওয়ার’ নিশ্চিত করে।
বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী রমানাথ পূজারী জানান, সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্রটি পরিচালনা করা আমাদের শক্তিশালি ডিজাইন এবং টিমের নিরলস প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। এই সাফল্য আমাদের কঠোর পরিচালন পদ্ধতি এবং দুই দেশের মধ্যেকার সফল সহযোগিতার অনন্য নিদর্শন।
তিনি বলেন, বর্তমানে কেন্দ্রটি ভারতে এনটিপিসি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একদল দক্ষ বাংলাদেশি প্রকৌশলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এনটিপিসি বর্তমানে উপদেষ্টা হিসেবে সহায়তা প্রদান করলেও স্থানীয় মেধাবী প্রকৌশলীদের দ্বারা এই বিশালকার কেন্দ্রের দৈনন্দিন পরিচালনা বাংলাদেশের কারিগরি সক্ষমতা অর্জনের পথে একটি বড় অর্জন।
সূত্র : ইউএনবি
সম্পাদক: মো. আবু মুসা আশ'য়ারী (মনির)
প্রকাশক: ইলিয়াস
www.newsoutlook.net