
আফগানিস্তানের খোস্ত, পাকতিয়া, পাক্তিকা, নানগারহার এবং কুনার প্রদেশে গত রাতের মতো সরাসরি কোনো সংঘর্ষ হয়নি বলে জানিয়েছেন বিবিসির সংবাদদাতা হেফজুল্লাহ মারুফ।
তবে, কুনারের কিছু সূত্র জানিয়েছে যে, সীমান্তবর্তী জেলা শুলতান, দাঙ্গাম এবং নারিতে উভয় পক্ষ মাঝে মাঝে একে অপরের দিকে কামানের গোলা নিক্ষেপ করে,” বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বিবিসির এই সংবাদদাতা বলেন, সংখ্যা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও, গত রাতের হামলায় আফগানিস্তানের বেসামরিক নাগরিক এবং তালেবান সৈন্য নিহত ও আহত হয়েছেন।
নানগারহারেও সরাসরি কোনো লড়াই হয়নি, তবে তোরখাম সীমান্তের কাছে মাঝেমধ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া তোরখাম সীমান্তের কাছে একটি বড় অস্থায়ী শরণার্থী শিবির রয়েছে, যেখান থেকে যুদ্ধের ভয়ে শরণার্থীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, পাকিস্তান থেকে তোরখাম হয়ে আফগানিস্তানে প্রবেশকারী শরণার্থীরা সংঘর্ষের ভয়ে তোরখাম থেকে ফিরে গেছেন। প্রতিদিন শত শত পরিবার তোরখাম দিয়ে আফগানিস্তানে ফিরছেন বলেও জানান মি. মারুফ।
খোস্ত, পাকতিয়া এবং পাক্তিকায় সরাসরি কোনো সংঘর্ষের ঘটনা না ঘটলেও কিছু সূত্র অনুসারে, অন্যান্য প্রদেশের মতো উভয় পক্ষই একে অপরের দিকে গুলি চালাচ্ছে।
অন্য একটি সূত্রের মতে, পাক্তিকার সারোবি জেলায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। যদিও এই হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি তালেবান সরকার।
সূত্র : বিবিসি
সম্পাদক: মো. আবু মুসা আশ'য়ারী (মনির)
প্রকাশক: ইলিয়াস
www.newsoutlook.net